বিদেশ ভ্রমণের জন্য ছুটির আবেদন

 বিদেশ ভ্রমণের জন্য ছুটির আবেদন করতে আবেদনপত্র লিখতে হয় যেখানে ব্যক্তিগত ঠিকানা, স্বাক্ষর, তারিখ, ছুটির কারণ উল্লেখ্য করতে হয়।

বিদেশে ভ্রমণের জন্য ছুটির আবেদন করতে লিখিত ডকুমেন্ট অত্যন্ত প্রয়োজন ও ভ্রমণের কারণ সমূহ বিস্তারিত তথ্য দিতে হয়। নিম্নে বিদেশে ভ্রমণের জন্য ছুটির আবেদন কিভাবে করতে হয় তা দেওয়া হলঃ-

পেজসূচিপত্রঃ

বিদেশে ভ্রমণের জন্য ছুটির আবেদন কিভাবে করতে হয়

বিদেশে ভ্রমণের জন্য ছুটির আবেদন করতে হলে আগে আপনার অফিসের ম্যানেজারের সাথে কথা বলতে হবে এবং আপনার অফিসের হেড মিনিস্টারের সাথে কথা বলার দরকার। কারণ আপনার অফিসের সকল কার্যক্রম কখন কোন সময় পরিচালিত হয়। এই সব কিছু আপনি জানেন এবং এসব কিছু দিক বিবেচনা করে আপনার অফিসের হেড মিনিস্টারের সাথে কথা বলবেন। আর কোন বিষয়ের জন্য আপনি বিদেশে ভ্রমণ করতে চাচ্ছেন সেই বিষয়ে সম্পর্কে আপনার অফিসে জানাবেন তবে আপনার আবেদন প্রক্রিয়ার কাজ সহজ হয়ে যাবে।

আবেদন প্রক্রিয়াঃ

১)সরাসরি আলোচনা সাপেক্ষেঃ আপনার অফিসের ম্যানেজারের সাথে সরাসরি আলোচনা করবেন ছুটির বিষয়ে এবং কি বিষয়ে আপনি ছুটি নিতে চান সেই বিষয় নিয়ে তার সাথে আলোচনা করা ভালো যেন আপনার আবেদন খুব তাড়াতাড়ি হয়।

তার সাথে ছুটির সময়সূচী নিয়ে আলোচনা করুন। কিসের জন্য আপনি বিদেশ ভ্রমণ করবেন সেই সম্পর্কে জানান।

২)লিখিত ডকুমেন্টঃ লিখিত ডকুমেন্ট এর মধ্যে সকল প্রমাণাদি উল্লেখ্য করুন (লিভ অ্যাপ্লিকেশন ফর ফরেন্স স্ট্রিপ) উল্লেখ্য করুন।

৩)সম্বোধনঃ বিদেশ ভ্রমণের জন্য ছুটির আবেদন করার সময় আপনার আবেদনপত্রে স্যার, ম্যাডাম বা মহোদয়, উল্লেখ্য করুন।

৪)নিজের সম্পর্কেঃ আপনার পেশা পদবী আপনি কি করেন এসব কিছু আপনার আবেদনপত্রে মধ্যে তথ্য দিন।

মূল বিষয়ঃ

আপনার ছুটির শুরুর তারিখ ও ছুটির শেষের তারিখ পর্যন্ত আবেদনপত্রে লিখুন। আবেদনপত্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য করুন আমি এই তারিখ থেকে এই তারিখ পর্যন্ত ছুটি চাই।

বিদেশে কিসের জন্য আপনি ভ্রমণ করবেন সেই কারণ গুলো আপনার আবেদন পত্রে উল্লেখ্য করে লিখিত আকারে রাখুন।

প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়ার জন্য আপনার ব্যক্তিগত মোবাইল নাম্বার বা ইমেইল উল্লেখ্য করুন।

বিদেশে ভ্রমণ করার সময় আপনার অফিসের কাজ কে সামলাবে সেই ব্যক্তির বা সেই সহকারে নাম ঠিকানা দিন।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ঃ

বিদেশে ভ্রমণের জন্য ছুটির আবেদন করুন ১ থেকে ২ সপ্তাহ আগে যেন আপনার অফিসের ম্যানেজার আপনার ছুটির ব্যাপারে কিছুটা ভাবনা চিন্তা করতে সময় পাই।

আপনার অফিসের সকল গুরুত্বপূর্ণ কাজ শেষ করুন এবং আপনার কাজের দায়িত্ব অন্য কাউকে বুঝিয়ে দিন।

কোম্পানির ছুটির সকল নিয়ম নীতি মেনে চলুন ও অফিসের সকল সদস্যদের সাথে বিনয়ী আচরণ করুন।

আবেদনপত্র কিভাবে লিখতে হয়ঃ

বিষয়ঃ বিদেশ ভ্রমণের জন্য ছুটির আবেদন

প্রিয়( স্যার/ ম্যাডাম/ ব্যবস্থাপক/- এর নাম)

আমি (আপনার নাম),ও (আপনার পদবি),এই মর্মে আমি আপনাকে জানাচ্ছি যে আমি আপনার আফিসের একজন কর্মকর্তা ,আমার বিদেশ ভ্রমনের জন্য (প্রথম তারিখ) থেকে (শেষ তারিখ) পর্যন্ত ছুটির দকার(মোট ছুটির দিন) এতো দিনের জন্য আমি ছুটি চায়।

আমার অনুপস্থিতিতে, আমার দায়িত্বসমূহ( সহকর্মীর নাম)( সহকর্মীর পদবী) সামলাবেন। তিনি আমার চলমান সকল কাজের ব্যাপারে অবগত আছেন।জরুরী প্রয়োজনে আমার সাথে( আপনার ফোন নাম্বার) (আমার ইমেইল আইডি) তে যোগাযোগ করতে পারবেন

অতএব আমার আবেদনটি বিবেচনা করে ছুটি মঞ্জুর করলে আমি আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকব।

ধন্যবাদ
(আপনার নাম)
( আপনার পদবী)
( আপনার আইডি)
(আপনার তারিখ)

ভ্রমণ আবেদন করতে কি কি ডকুমেন্ট উল্লেখ করতে হয়

ভ্রমণ আবেদন করতে অনেকগুলো ডকুমেন্ট উল্লেখ উল্লেখ্য করতে হয় যেমন, পাসপোর্ট, আবেদন কপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ভোটার আইডি কার্ড, ফ্লাইট টিকিট, হোটেল বুকিং, টিকা সনদ, অন্যান্য স্বাস্থ্যগত সনদপত্র প্রভূতি এই সকল বিষয়াদি উল্লেখ্য করতে হয়। বিদেশ ভ্রমণ আবেদন করতে এই সকল কাগজ পাতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সবকিছু কাগজ পাতি বা ডকুমেন্ট আপনার অবশ্যই বিদেশে ভ্রমণের জন্য আপনার কাছে থাকতে হবে। বিদেশে অনেক আনন্দের। এক দেশ থেকে অন্য দেশে পাড়ি দেওয়া ও অনেক আশা অনেক স্বপ্ন পূরণের জন্য কঠোর পরিশ্রম করা আর এ কথার পরিশ্রমের ফল মধুর হয়। আর এই মধুর স্বপ্নপূরণের জন্য বিদেশে ভ্রমণ করতে প্রথমে আবেদন করতে হয় এবং আবেদন পত্র সত্য তথ্য উপস্থাপন করতে হয়।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সমূহ

আবেদন পত্রের ফরমঃ আবেদন পত্রের ফর্ম সঠিকভাবে পূরণ ও স্বাক্ষর করতে হয়

পাসপোর্টঃ পাসপোর্টে ছয় মাস বা তার বেশি মেয়াদ থাকা বাঞ্ছনীয় এবং পাসপোর্ট এর ফটোকপি থাকা আবশ্যক।

ছবিঃ সম্প্রতি সদ্যতোলা পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি ছবি।

ভিসাঃ গন্তব্য দেশের ভিসা প্রযোজ্য

টিকিটঃ ফ্লাইট টিকিট এবং সাইটের সিডিউলিং।

ট্রাভেল ইন্সুরেন্সঃ নির্দিষ্ট গভারেজ সহ 30 হাজার ইউরো

এন আই ডিঃ জাতীয় পরিচয় পত্র এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স

নির্দেশনা বলি

যে দেশে যাবেন সেই দেশের ভিসা ইমিগ্রেশন যাচাই করা

ডকুমেন্টের মূল কপির সাথে ফটোকপির সঙ্গে রাখা

সকল কাগজপত্রের ডকুমেন্ট যেন বৈধ হয় তা নিশ্চিত করা

আবেদন কিসের মাধ্যমে করতে হয়

বিদেশ ভ্রমণের আবেদন করতে হলে যে সকল কাগজপত্র প্রয়োজন তা হলো - পাসপোর্ট, ভিসা, গন্তব্য স্থানের সকল কাগজপত্র( টিকিট, হোটেল বুকিং এর কাগজপত্র) প্রভুতি সকল কাগজপত্র নিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়।১) বিদেশ ভ্রমণে আবেদন করতে হলে প্রথমে আপনার অরজিনিয়ার পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।২) আপনি যে দেশে যাবেন সেই দেশের দূতাবাস কন্সিলেটর ওয়েবসাইট দেখে ভিসা থাকতে হবে।৩) যে দেশে যাবেন সেই দেশের ফরম পূরণ করতে হবে এবং অনলাইন পিন কপি নিতে হবে।৪) অনলাইনে আবেদনের জন্য সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি দিতে হবে সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি দিতে হবে।৫) অনলাইনে আবেদন করতে আপনার স্থায়ী ঠিকানা ও স্বাস্থ্য চিকিৎসার মেডিকেল সার্টিফিকেট এর ডকুমেন্ট দিতে হবে।

পারিবারিক ও ব্যক্তিগত কারণে বিদেশে ভ্রমণের জন্য ছুটির আবেদন

 পারিবারিক ও ব্যক্তিগত কারণে বিদেশে ভ্রমণের জন্য অনুষ্ঠানিক আবেদন পত্র লিখতে হবে। পারিবারিক ও ব্যক্তিগত কারণে আবেদন পত্র করতে গেলে আপনাকে ইমেইল আবেদন পত্র আবেদন পত্র লিখতে হবে। আবেদন পত্রে তারিখ লিখতে হবে আপনি কত তারিখ থেকে কতো তারিখ পর্যন্ত ছুটি নিতে চান। আবেদন প্ত্রে আপনার ব্যক্তিগত কারন ও পারিবারিক কারন আবেদন প্ত্রে উল্লেখ করতে হবে। আবেদনপত্র বা আবেদের নথিপত্র পূর্বে আবেদন করা উচিত।

আবেদনপত্র যেভাবে লিখতে হয় তার নমুনা
তারিখ
বরাবর (ঊর্ধ্বতম কর্মকর্তা/ ব্যবস্থাপনা/ পরিচালকের নাম)
(আপনি যে কোম্পানিতে কাজ করেন সেই কোম্পানির নাম)
(ঠিকানা- এখানে আপনি আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা দিন)
বিষয়ঃ ব্যক্তিগত কারণে বিদেশে ভ্রমণের জন্য ছুটির আবেদন
জনাব
বিনীত নিবেদন এই যে আমি আপনার অফিসের একজন ঊর্ধ্বতম কর্মকর্তা। আমি আপনার অফিসে ১০ বছর যাবৎ বিশ্বস্ততার সাথে কাজ করে আসছি। আমি অফিসের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা। আমি আপনাকে জানাচ্ছি যে, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত কারণে আগামী( শুরুর তারিখ) থেকে( শেষের তারিখ) পর্যন্ত বিদেশে ভ্রমণ করতে চাই।আমার ভিসা সম্পন্ন হয়েছে ও টিকিট বুক করা হয়ে গেছে। আমার অনুপস্থিতিতে আমার কাজ আমার সহকারি ( সহকারীর নাম )খুব দায়িত্বের সাথে পালন করবে।

অতএব প্রধান মহোদয় আমাকে এতদিনে ছুটি দিয়ে, পরিবারের সাথে সময় কাটানোর জন্য বিদেশে ভ্রমণ করার সুযোগ দিবেন।

ধন্যবাদান্তে

আপনার স্বাক্ষর

আপনার নাম

 আপনার পদবী

বিদেশ ভ্রমণ অভিজ্ঞতার জন্য ছুটির আবেদন

বিদেশ ভ্রমণ অভিজ্ঞতার জন্য ছুটির আবেদন করতে সকল কাগজপত্র ডকুমেন্ট পাসপোর্ট টিকিট এই সবকিছু প্রয়োজন হয়। গন্তব্য স্থান নিজের জন্য অভিজ্ঞতা ও আনন্দময় এর জন্য বিদে কত সব ছেলেপেলে মাদ্রাসায় গেছে হাতে ঘুমা শে ভ্রমণ করা দরকার পড়ে। তাই বিদেশে ভ্রমন করতে আপনি যে পেশায় যুক্ত রয়েছেন চাকুরী কিংবা সরকারি কর্মচারী হয়ে থাকলে আপনাকে বিদেশে ভ্রমণের পূর্বে সেই প্রতিষ্ঠান থেকে ছুটি আবেদন করতে হবে। আপনি যে সময় এমন করতে চান তার এক মাস পূর্বে আপনার অফিসে ছুটির জন্য দরখাস্ত দেওয়া উত্তম। আপনার অফিসের প্রধানের নিকট আবেদন পত্র করতে করতে হবে।

চিকিৎসার জন্য বিদেশে ভ্রমণ ও ছুটির আবেদন 

বিদেশ ভ্রমণের জন্য ছুটির আবেদন করতে হলে আপনি কিসের জন্য ছুটি নিতে চান সেই বিষয় খুব জরুরী। আবেদন পত্রে অবশ্যই ছুটির বিষয়টি উল্লেখ করুন থাকতে হবে। আপনি যদি বিদেশে চিকিৎসার জন্য ভ্রমণ করতে চানতবে অবশ্যই আপনাকে চিকিৎসা বিষয়টি উল্লেখ করুন করতে হবে। বিষয় উল্লেখ্য করা অত্যন্ত জরুরী। আবেদন পত্র বিষয় উল্লেখ্য থাকলে আপনার অফিস থেকে সে বিষয় পর্যবেক্ষণ করে তারা সিদ্ধান্ত নেবে তাড়াতাড়ি।

বিদেশ ভ্রমণের জন্য কি কি গাইডলাইন ফলো করতে হয়

বিদেশ ভ্রমণের জন্য কি কি গাইডলাইন ফলো করতে হয় চলেন সেই সম্পর্কে আলোচনা করা যাক। বিদেশ ভ্রমণের জন্য অবশ্যই ছয় মাস মিয়াদেরভিসা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নথিপত্র ডকুমেন্ট সবকিছু রাখতে হবে। যে দেশে যাবেন সেই দেশের আবহাওয়া নির্বাচন করতে হবে। আবহাওয়া নির্বাচন করে সেই রকম প্রস্তুত নিয়ে যেতে হবে।

ভ্রমণের জন্য গাইড লাইন

১) ছয় মাস মিয়াদি ভিসা নিশ্চিত করতে হবে

২) প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র সঙ্গে রাখতে হবে

৩) যে দেশে ভ্রমণ করবেন সেই দেশের আবহাওয়ার তথ্য জেনে পোশাক নির্বাচন করতে হবে

৪) সঙ্গে প্রয়োজনীয় সকল ওষুধ পত্র রাখতে হবে।

৫) আপনি যে দেশে ভ্রমণ করবেন সেই দেশের হোটেলের ঠিকানা কাগজপত্র সবকিছু রাখতে হবে।

৬)যোগাযোগের জন্য স্থানীয় সিম কার্ড ব্যবহার করতে হবে বা ইমেইল ঠিকানায় রাখতে হবে।


নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে বিদেশে কাজের ভ্রমন

নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে বিদেশের বিদেশ যেতে চাইলে আপনাকে প্রথমে নির্বাচন করতে হবে আপনি কোন দেশে যাবেন। সেই দেশ নির্বাচন করার পর সে দেশের কোন কোম্পানি ভাল হবে সেই কোম্পানি সম্পর্কে জানতে হবে ।আর সেই কোম্পানিতে কর্মী কখন নির্বাচন করবেন তারা সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে।সেই কোম্পানি যদি কর্মী নিবার জন্য বিজ্ঞপ্তি দেয় সেই বিজ্ঞপ্তি দেখে আপনাকে সেই কোম্পানির কাজের জন্য আবেদন করতে হবে এবং আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর ভিসার মাধ্যমে আপনি সেই দেশে গড়ার লক্ষ্যে পারি দিতে পারবেন। বিদেশে যাবার পূর্বে  আপনাকে সকল ধরনের প্রস্তুত নিতে হবে। যেন কোম্পানির ভিসা আসার সঙ্গে সঙ্গে সেই দেশে ভ্রমণ করতে পারেন।

ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার জন্য বিদেশে ভ্রমণ

ছেলেমেয়েদের উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশের ভ্রমণ করেন অনেক পরিবার। সেই দেশে তারা ছেলেমেয়েদের লেখা পড়ার জন্য বিদেশে ভ্রমণ করেন।ছেলে মেয়েদের উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য অনেক পরিবার বিদেশে স্যাটেল হয়ে যায়। বা অনেক স্টুডেন্ট স্কলারশিপ এর মাধ্যমে বিদেশে পড়তে যাওয়ার সুযোগ পায়। ছেলে মেয়েরা বিদেশে লেখাপড়া করলে তাদের সাক্ষাৎকারের জন্য বাবা মাকে বিদেশে ছয় মাসের জন্য ভ্রমণ ভিসা করে বিদেশে রওনা দেয়।

দীর্ঘদিনের আশা বিদেশে ভ্রমণ করে তাই ছুটির আবেদন

আপনার যদি দীর্ঘদিনের আশা থাকে বিদেশে ভ্রমণ করার জন্য তবে প্রথমে আপনার অফিসে ছুটি নেওয়া অত্যন্ত জরুরী। তাই ভ্রমণ করার আগে আপনাকে আপনার অফিসে ছুটির আবেদন করতে হবে। 


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Mst.Manira Khatun
Mst.Manira Khatun
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট মানিরা আইটি । তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।