মেয়েদের ইসলামিক নাম ২০২৬
নতুন বছরের মেয়েদের সুন্দর সুন্দর ইসলামিক নাম পাবেন আমার এই কনটেন্টে। আপনার সন্তানের সুন্দর নাম রাখাতে আমার এই কন্টেন্টি আপনার উপকারে আসতে পারে।
আপনার সন্তানের সুন্দর নাম পেতে আমার এই লেখাটি আপনার উপকারে আসলে আমি নিজেকে ধন্য মনে করব।
পেজ সূচিপত্রঃ
- মেয়েদের ইসলামিক নাম
- ম দিয়ে মেয়েদের নাম
- ফ দিয়ে মেয়েদের নাম
- মেয়েদের বিভিন্ন ধরনের আধুনিক নাম
- বাচ্চা মেয়েদের কখন নামকরণ করা হয়
- আ ও ক দিয়ে আধুনিক নাম
- নাম কোন কোন নিয়ম মেনে রাখতে হয়
- সোনামনির নামকরণের সকল নিয়ম কানুন
- বাবা-মার নামের সাথে নাম মিলিয়ে রাখা
- মন্তব্য
মেয়েদের ইসলামিক নাম
নতুন বছরে শুভেচ্ছা জানিয়ে আপনার সোনা মনির সুন্দর সুন্দর নাম পেতে আমার এই লেখা কন্টেন্ট আপনার উপকারে আসবে । প্রত্যেক ছেলে মেয়ের মা বাবা চাই তাদের সন্তানদের জন্য সুন্দর সুন্দর নাম রাখতে এবং নামের অর্থ জানতে । নতুন বছর ২০২৬ সাল প্রত্যেক মানুষের জীবনে অনেক সুন্দর মুহূর্ত । পুরানো সব দুঃখ গ্লানি মুছে শুরু হোক নতুন বছর আনন্দে ভরপুর সুখী জীবন আসুক আপনার আমার জীবনে । আর সেই সুখ-দুঃখ আনন্দ সব মিলিয়ে যখন নতুন সদস্য আমাদের জীবনে আগমন হয় তখন আনন্দের সীমা আর ধরে রাখা যায় না।নতুন সদস্যের আগমনে আনন্দের মধ্যে আমরা সুন্দর সুন্দর নাম খুঁজে বের করার চেষ্টা করি। আর এই সুন্দর নাম গুলো খুঁজে পেতে আপনাকে সাহায্য করবে আমার এই লেখা গুলো। চলুন আপনার সোনা মনির সুন্দর ইসলামিক নাম গুলো জেনে নিই।
সালমা জান্নাত - এর অর্থ শান্তিময় জান্নাত । মাইশা বিলকিস- এর অর্থ জীবন্ত রানী।
সিরাজুম মনিরা - এর অর্থ নূরের আলো । ফারিহা ইসলাম - এর অর্থ সর্বজ্ঞ জ্ঞানী ময় রানী।
আনিকা সুলতানা- এর অর্থ রূপসী সম্রাজ্ঞী। সামিরা জান্নাত- এর অর্থ রাতের সঙ্গী স্বর্গীয়।
সাদিয়া জান্নাত- এর অর্থ সৌভাগ্যবতী। তাসনিয়া জান্নাত- এর অর্থ স্বর্গীয় উদ্যান।
তাসফিয়া জান্নাত-এর অর্থ পরিশুদ্ধ সরগীয়। মালিয়া সাহা-এর অর্থ সুন্দর কমনীয়।
শারমিন নাহার- এর অর্থ দিনের আলো। তাহেরা মেহজাবিন-এর অর্থ পবিত্র চন্দ্র প্রান্তি
মায়েশা-এর অর্থ শক্তি শাসক।মাহবুবা- এর অর্থ প্রিয় পরিচিত মুখ
মারিয়াম-এর অর্থ আল্লাহর অনুগত্য।মাহিমা- এর অর্থ বিশেষ গুন সম্পূর্ন
সাবানা- এর অর্থ সুন্দর গুনবতী।সাবিনা- এর অর্থ সুন্দর
সোহেলা- এর অর্থ সুখী শান্ত।আরশিয়া-এর অর্থ আরশের নিকটবতী।
ফারিহা- এর অর্থ আনন্দিত খুশি।আশিয়া-এর অর্থ শান্তি স্থাপন কারী।
হাফসা- এর অর্থ সিংহী।খাতিজা-নবীর প্রথম স্ত্রী।
রাইসা- এর অর্থ রানী।সকিনা -এর অর্থ প্রসান্তি স্থির।
যইনাব- এর অর্থ সুগন্ধি ফুল।সানা-এর অর্থ উজ্জ্বল
ম দিয়ে মেয়েদের নাম
বর্তমানে আধুনিক যুগে নামের গুরুত্ব অনেক। বাচ্চাদের নাম রাখার জন্য আমরা অনেক নাম খোঁজাখুঁজি করি কোন নাম রাখলে ভালো হয়। আর কোন নামের অর্থ কি এবং কোন নামের অর্থ ভালো সেই সম্পর্কে আমরা বেশি জানতে চাই। আর যেই নামের অর্থ বেশি সুন্দর ইসলামের দৃষ্টিতে মানুষের মন আকৃষ্ট করে আমরা সেই নাম গুলো রাখতে চাই।তাই ম দিয়ে আপনার সোনামনির নাম গুলো রাখতে চাইনে আমার এই লেখাটি আপনার কাজে আসবে। চলুন ম দিয়ে নামের মানে গুলো জেনে নিই।
মরিয়ম-এর অর্থ পবিত্র, মেহজাবিন- এর অর্থ সুন্দর, মাহিমা -এর অর্থ গৌরব,মারওয়া-এর অর্থ মাক্কার পবিত্র স্থান,মুসফিকা- এর অর্থ দয়ালু, মারওয়া- এর অর্থ মক্কার পবিত্র স্থান, মানজুরা- এর অর্থ খুব পছন্দ করতে ভালোবাসি এমন ব্যাক্তি, মন্দিরা- এর অর্থ বাদ্যযন্ত্রবিশেষ,ময়ূরী- এর অর্থ বিচিত্র বর্ণের। মহুয়া- এর অর্থ মধুর স্বাদ এর ফল, মল্লিকা- এর অর্থ ফুল বিশেষ, ্মৃদুলা- এর অর্থ কোমল, মৌমিতা এর অর্থ দৃঢ় বন্ধন, মৌসুমী -এর অর্থ বর্ষাকালীন, মাধুরী এর মানে লাবণ্য মাধুরতা, মোহিনী এর মানে পরম সুন্দরী, মেঘা এর অর্থ মেঘ জল।
মুরসিদা- এর মানে পথ প্রদর্শন কারি।মুসারত-এর মানে, মানফুসাহা-এর মানে এমন একজন মহিলা যা আল্লাহর ভয়ে কাদে,মালিহা -এর মানে সুন্দর,মানারা-এর মানে আলো উজ্জল,মানহা -একজন নারী সরুপ যাকে আল্লাহ উপহার দিয়াছেন,মুয়াজ্জেমা-এর মানে মহতী,মাদেহা-এর মানে প্রসংশা,মারিয়া-অর্থ শুভ্র,মাছুরা- অর্থ নল,মোবারাকা-এর মানে কল্যানিয়,মুবিনা-এর মানে সুষ্পষ্ট,মাবশূ-এর মানে অত্যান্ত সম্পদশীলা,মাহেরা-এর মানে নিপুনা,মুকাদ্দাশী-এর মানে পবিত্র।
ফ দিয়ে মেয়েদের নাম
আমরা সকলে জানি আমাদের জীবনে নামের গুরুত্ব অনেক। প্রত্যেক ব্যক্তির জীবনে নামের দুর্দান্ত প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। আর আমাদের নামের জন্য নামের প্রথম অক্ষরঅধিক গুরুত্বপূর্ণ । তাই আমরা সন্তানদের জন্য নাম নির্বাচন করার আগে নামের প্রথম অক্ষর নির্দিষ্ট করি যেমন-ক,খ ,গ ,ঘ ,চ,ছ,জ ,ট,ঠ,ড, ফ এই সকল অক্ষর দিয়ে আমরা নাম খুঁজে বের করি এবং নাম রাখি। চলুন তবে দেখা যাক ফ দিয়ে যে সকল নাম গুলো আছে সেগুলো,-ফাতেমা-অর্থ আমাদের নবীর মেয়ে।
ফারিহা- অর্থ আনন্দিত
ফাহমিদা- বুদ্ধিমতী
ফাওয়াজ- এর অর্থ বিজয়ী
ফারজেনা- অর্থ জ্ঞানী
ফাতেহা-কুরআনের প্রথম সুরা
ফাইজা এর অর্থ বিজয়ী
ফাইমা -এর অর্থ বুদ্ধিমান
ফাদিহা- এর অর্থ সাহসী আত্মত্যাগি
ফাইসা - এর অর্থ তদন্তকারী
ফাহমিদা- শিক্ষিত জ্ঞানী
ফাইকা- উচ্চ মর্যাদা
ফারাহ- সুখ আনন্দ
ফরিদা- অতুলনীয়
ফারহানা- সুখী, আনন্দ
ফারজানা সাদিয়া- বুদ্ধিমান, ভাগ্যবতী
ফারহাত- আনন্দ সুখী
ফারজানা স্বাদিকা- প্রফুল্ল ,সত্যবাদী
ফাহমিদা তায়িবা- শ্রীমতি পবিত্র
মেয়েদের বিভিন্ন ধরনের আধুনিক নাম
মেয়েদের বিভিন্ন ধরনের আধুনিক নামের মধ্যে রয়েছে ,প্রাকৃতিক,আধুনিক, ঐতিহ্য, মডেলিং ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের নাম। বিভিন্ন নামের ধরন বিভিন্ন রকম হয়। কোন কোন নাম দুই অক্ষরের আবার কোন কোন নাম ৩ থেকে ৪ অক্ষরের, আবার কোন কোন নাম এর সাথে আরেকটি পদবী জড়িয়ে রাখা হয়। বর্তমানে আধুনিক যুগে যত স্ট্যান্ডার আধুনিক নাম আছে এই সবগুলোই বর্তমান অভিভাবকরা তাদের ছেলেমেয়েদের জন্য পছন্দ করেন। চলুন সেইসব নামগুলো এক পলকে দেখে নিই, আরিয়া ,লুনা ,মিয়া, লুবাবা, এলিয়ানা,আভা,নোভা,ইভলিন,শামসি,ল্যায়া,লামিয়া,জুনাইবা,মাইজিন,তানহা, লুয়াবজা,ল্যাক্সি,লারিয়া,সানিয়া,জুনিয়া,রোজা,লুনিয়া,ইনায়না,সুহানা,স্যাঞ্জিন,জ্যামি, রেনি,রামু,রাস্কু,রায়া, রায়েসা,জেরিন,কাস্মিয়া।
বাচ্চা মেয়েদের কখন নাম করণ করা হয়
বাচ্চা মেয়েদের কখন নামকরণ করা হয় তার কোন নির্দিষ্ট সময় নেই। কিন্তু ইসলামের নিয়ম অনুযায়ী সাত দিনের মধ্যে বাচ্চাদের নামকরণ করতে হয়। কিন্তু সাত দিনের মধ্যে নামকরণ নাও করা যেতে পারে। কেউ কেউ বাচ্চাকে দেখার পর বুঝে শুনে নামকরণ করে। আবার কেউ বাচ্চার আত্মীয়-স্বজনের নাম অনুযায়ী নাম খুঁজে এবং পছন্দ র মত নাম নির্বাচন করেন। এভাবে একটি বাচ্চার নামকরণ করতে সাত দিন থেকে ১৫ দিন ১৫ দিন থেকে এক মাস পর্যন্ত সময় লাগে। ইসলামিক মতে বাচ্চার রাধিকা দেওয়ার ৭ দিনের মধ্যে নামকরা উত্তম। আবার অনেক পিতা-মাতা আছে যারা বাচ্চাদের বুক দেখে নাম রাখেন। অনেক পিতা-মাতা আছে তাদের বাচ্চার না হবার আগেই নাম খুজে রাখেন। আপনি অভিভাবক হিসেবে যদি মনে করেন ইসলামের নিয়ম অনুসারে আমার বাচ্চার নাম রাখব তবে সাত দিনের মধ্যে আকিকার সাতে সাতে নাম রাখতে হবে।
অ ও ক দিয়ে আধুনিক নাম
বিভিন্ন ধরনের ব্যক্তির বিভিন্ন অক্ষরের নাম হয়ে থাকে। যেকোনো ব্যাক্তি তাদের বাচ্চাদের নামের অক্ষর পছন্দ করে নাম রাখেন।সেই নাম যেকোনো অক্ষরের হয়ে থাকে। চলুন আমরা বিভিন্ন অক্ষরের নামের পরিবর্তে ক ও খ দিয়ে কি ধরনের আধুনিক নাম পাওয়া যায় সেগুলো দেখে নিই।
অ দিয়ে নাম
অন্বেষা -এর অর্থ অনুসন্ধন।
আলিয়া -মহৎ উন্নত ।
অনন্যা- এর অর্থ অতুলনীয়, যার তুলনা নেই।
আরাত্রিকা- এর অর্থ দীপশিখা।
আরোহী-এর আর্থ আরোহনকারী
আরশী-এর অর্থ প্রথম প্রভাত, বা ভোর।
আরাধ্যা - এর অর্থ যিনি সকলে দ্বারা পুজিত
আয়ুশি -এর অর্থ দীর্ঘ জীবনের অধিকারী ।
আবিদা- এর অর্থ উপাসক ভক্ত।
আফরোজা -আলোকিত করে
আঞ্জেলিকা- ঈশ্বরের বাত্রবাহ ।
আনিকা -এর অর্থ রূপসী।
অ্যান্সি-সর্বাপেক্ষা সুন্দরী
আলাইনা-এর অর্থ ন্ম্র মৃদু
ক দিয়ে নাম
কাইরা- এর অর্থ শান্ত পরিস্কার।
কানিজ- এর অর্থ সেবিকা বা দাসী।
কেতকি-সুগন্ধি ফুল।
কাদীরা -শক্তিশালী।
করাতুল আইন-নয়ন মনি।
নাম কোন কোন নিয়ম মেনে রাখতে হয়
নাম রাখতে অনেক নিয়ম আছে যেমন- ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক, সামাজিক, পারিবারিক নিয়ম রীতি, প্রভৃতি এই সব কিছু নিয়ম মেনে নাম রাখা অনেক ভালো। পরিবারে নতুন সদস্য আসার সাথে সাথে আমরা তার কি নাম রাখব তার চিন্তাভাবনা করি। আর সে চিন্তা ভাবনা থেকে নতুন সদস্যের নাম নির্বাচন করা হয়। আর সেই সদস্য যদি হয় মেয়ে তবে ইসলামের পরিপন্থী দৃষ্টি অনুসারে আতিকা দেওয়ার সাথে সাথে সেই মেয়ের নাম রাখতে হবে । অনেকে মেয়ের নাম রাখেন তার বাবার নামের সাথে মিল রেখে। আবার অনেকে নাম রাখেন তার মায়ের নামের সাথে মিল রেখে। আবার কেউ কেউ রাখেন ভাই বোনের নামের সাথে মিল রেখে।
কিন্তু ইসলামের দৃষ্টি অনুসারে কিছু নিয়ম আছে সেগুলো নিষেধ করা আছে।নিষেধ হচ্ছে আল্লাহর নামের সাথে মিল রেখে নাম রাখা যাবে না। আবার ইসলামের মতে নবী রাসুলের ছেলে-মেয়ে বা বউ এর নামে নাম রাখা জায়েজ আছে। তাই আপনারা নবী ও রাসুলগণের বিবির ও ছেলে মেয়েদের নামের সাথে নাম মিলিয়ে আপনাদের ছেলে মেয়েদের নাম রাখতে পারেন যা ইসলামের দৃষ্টির পরিপন্থী ।
সোনামনির নামকরণের সকল নিয়ম কানুন
জন্মের পর ছোট্ট সোনামনির নামকরণের জন্য অনেক নিয়ম কানুন মানতে হয়। এই নিয়ম কানুন আইনের দৃষ্টির পরিপন্থী নয় কিন্তু আপনি ইসলামের নিয়ম কানুন মেনে নাম নির্বাচন করলে দৃষ্টির পরিপন্থী হবে। চলুন নিয়ম কানুন গুলো জেনে নেওয়া যাক-
নামকরণের সাধারণ নিয়ম-
ইসলাম- আরবি ফারর্সি উর্দু থেকে আসা নাম ইসলামের আইনের পরিপন্থী এবং সেই নামই রাখা আবশ্যক( আয়েশা, ফাতেমা, কুলসোম,আরহামা )
পারিবারিক নিয়ম ঐতিহ্য- পারিবারিক ঐতিহ্য নিয়ম মেনে নাম রাখা অত্যন্ত জরুরি। কারণ পরিবারের পদবীর সাথে না মিলিয়ে সুনামুনিদের নাম রাখতে হয়। পরিবারের পদবী সোনামণিদের পরিচয় বহন হিসেবে কাজ করে।
শুদ্ধ অক্ষর ধ্বনি- পরিবারের কিছু অক্ষর আছে যা তারা শুদ্ধ মনে করে আর সেই শুদ্ধ অক্ষরধ্বনি দিয়ে নামকরণ করেন অনেক পরিবার।
বাবা মার নামের সাথে নাম মিলিয়ে রাখা
মা-বাবার নামের সাথে নাম মিলিয়ে রাখা একটি প্রচলিত রীতি রেওয়াজ যা বংশের ধারাবাহিক ভালবাসার ভিত্তিতে এই নামকরণ করা হয়। ইসলামের দৃষ্টিতে কোন বাধ্য বাধকতা নেই নাম রাখার কিন্তু অভিভাবকেরা অনেকেই মনে করেন তাদের ছোট্ট সোনার জন্য নামের অর্থ বহ বা নামের অর্থ ভালো হবে সেই নাম নির্বাচন করেন। আর নামের অর্থ জেনে নেই রাখেন। মা-বাবার নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে নাম রাখেন অনেকে আবার নামের শেষ অক্ষর দিয়ে নাম মিলিয়ে রাখেন অনেকে। বাবা ভাইয়ের নামের অংশ জুড়ে দেওয়া বা মায়ের নামের প্রথম অক্ষর বাবার নামের শেষ অক্ষর দিয়ে নাম নির্বাচন করা।
বাবা বা নামের সাথে নাম মিলিয়ে রাখা ইসলামী দৃষ্টির মতে ভালো। ইসলামে মা-বাবার নামের সাথে নাম মিলিয়ে রাখার অনুমতি আছে। যে কেউ এই নিয়ম মানতে পারে।

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url